তড়িৎ দ্বিমেরু

বানাতে যা যা লাগবে তার মাধ্যে আছে অত্যন্ত স্বল্প মানের দুইটি চার্জ । যাদের মান সমান হবে কিন্তু আধান বিপরীত । অর্থাৎ একটি ধনাত্মক হলে অন্যটি ঋণাত্মক । এখন এই চার্জদ্বয়কে যদি আমরা স্বল্প দূরত্বে স্থাপন করি, তবে তৈরি হয়ে গেল তড়িৎ দ্বিমেরু । তাহলে আমরা তড়িৎ দ্বিমেরুকে এভাবে সংজ্ঞায়িত করতে পারি, স্বল্প মানের দুইটি বিপরীত ধর্মী চার্জ স্বল্প দূরত্বে স্থাপন করলে যে সিস্টেম তৈরি হয়, তাকে তড়িৎ দ্বিমেরু বলা হবে । তড়িৎ দ্বিমেরুর দিক- এর ঋণাত্মক চার্জটি হতে ধনাত্মক চার্জটির দিকে ।

আমাদের বাস্তবিক অভিজ্ঞতার সাথে অনেক সময় আমরা তড়িৎ দ্বিমেরুকে মেলাতে পারিনা । আমরা এটাকে নিছক একটি তত্ত্ব মনে করি । কিন্তু আমাদের বাস্তবিক জীবনে এটি আছে । পরমানুতে ধনাত্মক চার্জযুক্ত প্রোটন এবং ঋণাত্মক চার্জযুক্ত ইলেকট্রনের চার্জ সমান, কিন্তু আধান বিপরীত । একটি পরমাণুর মধ্যে এরা পরস্পর থেকে স্বল্প দূরত্বে অবস্থান করে । এটাকে আমরা একটি তড়িৎ দ্বিমেরু বলতে পারি ।

তড়িৎ দ্বিমেরুর আধানদ্বয়কে আলাদা আলাদা করে না চিন্তা করেও এর নিজস্ব তড়িৎ ক্ষেত্র আছে । যেটা আমরা এই আধানদ্বয়ের মধ্যবিন্দু তথা দ্বিমেরুর কেন্দ্র থেকে নির্ণয় করে থাকি ।

জিওন আহমেদ

Post a Comment

0 Comments